শিরোনাম

10/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।

পাইকগাছায় ড্রেনেজ ভেঙে সড়ক ও দোকানপাট ঝুঁকিতে, দ্রুত সংস্কারের দাবি

পাইকগাছা প্রতিনিধি : - খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের গদাইপুর মোড় এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় জলাবদ্ধতা ও ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে স্থানীয় সড়ক, দোকানপাট, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্রুত ড্রেনেজটি নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গদাইপুর মোড়ের আরএইচ সড়ক ও ব্যবসায়ীদের দোকানের পাশে থাকা ড্রেনের পানি একটি কালভার্টের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। তবে পানি বের হওয়ার পথ সংকুচিত হওয়ায় পলিথিন ও বিভিন্ন আবর্জনা জমে প্রায়ই পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। এতে সামান্য বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে নার্সারি, বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যবসা-বাণিজ্য।


এলাকাবাসীর অভিযোগের পর বিএনপির আহ্বায়ক চিকিৎসক আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ইউএনও জরুরি ভিত্তিতে দুটি প্রকল্প প্রস্তাব দাখিলের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন।


তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও ড্রেনেজ নির্মাণ বা সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত না করে ড্রেনটি খোঁড়াখুঁড়ি ও সম্প্রসারণ করায় সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে ড্রেনের দুই পাশ ধসে পড়েছে। এতে আরএইচ সড়ক ও পাশের দোকানপাটও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।


স্থানীয় ব্যবসায়ী কাজী আবুল বাশার খোকা বলেন, দ্রুত ড্রেনেজটি নির্মাণ করা না হলে সড়ক ও দোকানপাট আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে যান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, উক্ত স্থানে পাকা ড্রেন নির্মাণ করা জরুরি হলেও এই মুহূর্তে কোন বরাদ্দ নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ড্রেন নির্মাণ করা হবে। 


এলাকাবাসী দ্রুত ড্রেনেজ নির্মাণে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Post a Comment

0 Comments