শিরোনাম

10/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।

পাইকগাছায় উলুবুনিয়া নদীর জমি দখলের অভিযোগ, ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচারের দাবি

পাইকগাছা প্রতিনিধি : খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া নদী ভরাট করে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর দুই পাশের সরকারি জমি দখল করে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্য ঘের গড়ে তোলা হলেও সম্প্রতি এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পশ্চিম পাশে পুটিমারী মৌজায় প্রায় ৫২ একর ভিপি (ভেস্টেড) সম্পত্তি রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন আগে ডিসিআর নিয়ে ৮ থেকে ১০ জন সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন। একই সঙ্গে কৃষিকাজ ও মৎস্যচাষও করে আসছেন তারা।


লতা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য কুমারেশ মণ্ডল বলেন, তাঁর জন্মের আগেই তাঁর বাবা-মা ওই এলাকায় বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষের একটি মহল তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে নদীর পূর্ব পাশের সরকারি জমি দখল করে তাঁর নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, নদীর পশ্চিম পাশের পুটিমারী এলাকার ডিসিআরপ্রাপ্ত জমিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নদীর পূর্ব পাশে প্রায় ৫৪ একর সরকারি জমি ভরাট করে জোরপূর্বক দখল করা হচ্ছে। সেখানে পাকা ভবন নির্মাণের পাশাপাশি কৃষিজমি ও চিংড়ি ঘেরও করা হয়েছে। তাঁর দাবি, নদীর জায়গা দখলকারীদের মধ্যে তপন দাস, শিবপদ মণ্ডল, মোতালেব সানা, আজিজ সরদার, সাবেক ইউপি সদস্য আকরাম সরদারসহ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন রয়েছেন।


স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, উলুবুনিয়া নদীর পশ্চিম পাশে এসএ ৪২ নম্বর খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে প্রায় ৫২ একর ভিপি সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে আমানুর রহমান ৫ একর, গনি সরদার ৫ একর, রণজিৎ দে ৫ একর, আকু গং ১১ একর, মিরাজুল ইসলাম ও ইকবালসহ কয়েকজন প্রায় ১৭ একর, সুদীপ্ত ৩ একর, লুৎফর ১ একর ৫০ শতক এবং প্রশান্ত মণ্ডল প্রায় ২ বিঘা জমির ডিসিআর নিয়ে ভোগদখলে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব জমিতে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্য ঘের রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, উলুবুনিয়া নদী ভরাট করে অবৈধ দখলের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও প্রশস্ততা কমে যাচ্ছে। এতে পরিবেশের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়ছে।


এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী বলেন, "আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আবারও সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Post a Comment

0 Comments