শিরোনাম

10/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।

পাইকগাছা থেকে চুরি হওয়া ট্রলার মোংলায় বিক্রি, বটিয়াঘাটায় দুইজন আটক

পাইকগাছা প্রতিনিধি: - খুলনার পাইকগাছা থেকে চুরি হওয়া একটি ট্রলার প্রায় এক সপ্তাহ পর মোংলার বানিয়াশান্তা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আমিন সরদার ও জাহাঙ্গীর নামে দুই ব্যক্তিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।


চুরি যাওয়া ট্রলারের মালিক পাইকগাছা উপজেলার খাটুয়ামারী গ্রামের মইদুল সরদার। গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে নদীর চরের ওপর বাঁধা অবস্থায় ট্রলারটি চুরি হয়।


স্থানীয় সূত্র ও ট্রলারের মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাতে নদীর চরের ওপর ট্রলারটি বেঁধে রেখে বাড়িতে চলে যান মইদুল সরদার। পরদিন সকালে গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে ট্রলারটি নেই। পরে নদী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করেও ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।


ট্রলারটি চুরি হওয়ার পর মালিক ও স্থানীয়রা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিতে থাকেন। একপর্যায়ে খবর আসে, চুরি যাওয়া ট্রলারটি মোংলার বানিয়াশান্তা এলাকায় রয়েছে। সেখানে শিমুল নামের এক ব্যক্তির কাছে ট্রলারটি পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।


এরপর ট্রলারটি কীভাবে সেখানে গেল, কারা নিয়ে গেছে এবং কার মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে এসব বিষয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধানে সোলাদানা ইউনিয়নের খাটায়ামারী গ্রামের শামসুর সরদারের ছেলে আমিন সরদার ও দাকোপ উপজেলার কালাবগী এলাকার জাহাঙ্গীরের নাম সামনে আসে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।


অভিযোগ রয়েছে, ট্রলারটি চুরি করার পর মোংলা এলাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয়। পরে আমিন সরদার সেখান থেকে পালিয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী এলাকায় অবস্থান নেন। জাহাঙ্গীরও তাঁর সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।


পরবর্তীতে তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে সুরখালী গ্রাম থেকে আটক করা হয়। পরে সোলাদানা বাজার এলাকা থেকে তাঁদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাঁদের পাইকগাছা থানায় নিয়ে আসে।


ট্রলারটির মালিক মইদুল সরদার বলেন, রাতে নদীর চরে ট্রলারটি বাঁধা ছিল। সকালে গিয়ে দেখি ট্রলার নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারি, সেটি মোংলার বানিয়াশান্তা এলাকায় রয়েছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়েছে।


পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আওয়াল জানান, ট্রলার চুরির ঘটনায় আটক দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ট্রলারটি চুরির পর কীভাবে মোংলায় নেওয়া হলো, কার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল এবং এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্রলারের মালিক পক্ষ থেকে এখনো কোন মামলা দেয়নি থানায়। 

Post a Comment

0 Comments