পাইকগাছা প্রতিনিধি : - খুলনার পাইকগাছা উপজেলার এবিডিপি লতা এমএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং তাদের মেধার বিকাশে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
সোমবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অত্র প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরুন কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও পাইকগাছা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. ইমরান সরদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈদ্যনাথ ও সবিতা মেধাকল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা বৈদ্যনাথ রায়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক শংকর বিশ্বাস, মিল্কিওয়ে টিকাদার, মাসুদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, বিকাশ পাল, মাধবী স্বর্ণকার, নারায়ণ কবিরাজ, রাশিদা খাতুন ও অরণ্য রায়সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অভিভাবকদের মধ্যে গোরাচাঁদ মহলদার, তুহিন মন্ডল, লিটন ঢালী, কালাম গাজী, বিধান ঢালী, বিচিত্রা মন্ডল, সাধনা ঢালী, সবুজসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শ্রেণিতে ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়। প্রতি শ্রেণিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারকারী শিক্ষার্থীদের বৈদ্যনাথ ও সবিতা মেধাকল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।
বৃত্তি পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের মতে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের বৃত্তি কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেই হবে না, তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও বৃত্তি প্রদান তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ ও শুভেচ্ছা তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়।


0 Comments