আশাশুনি প্রতিনিধি :-
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম সালিমউদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ যেন উহুদ পাহাড়ে পরিনত হয়েছে। দূর্ণীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও একাধিক অনিয়ময়ের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। নিজের মনগড়া আইন ও নিয়মনীতিতেই চালাচ্ছিলেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রতি মাদ্রাসা থেকে ছুটি না নিয়ে আচমকা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেন মাওঃ সালিমউদ্দীন। যাওয়ার আগে গোপনে মাদ্রাসার জিনিস পত্র আত্মসাৎ করেন তিনি।
এছাড়া মাদ্রাসার কমিটি ও দাতা সদস্যগনকে মাদ্রাসার আয় ব্যায়ের হিসাব না দিয়ে নিজের আখেরি গুছিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার অভিযুক্ত মুহতামিম মাওঃ সালিমউদ্দীনের বিরুদ্ধে।
অফিসিয়াল মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে নিজের ব্যক্তিগত ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন মাদ্রাসার দাতা সদস্যগন। এসকল অভিযোগের উপর ভিত্তি করে সোমবার বাদ এশা বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসা চত্বরে ম্যানেজিং কমিটি এক সভার আয়োজন করা হয়।
মাদ্রাসার জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা মোঃ তমিজউদদীন গাজীর সভাপতিত্বে সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার অভিযুক্ত মুহতামিম মাওঃ সালিমউদ্দীনকে উক্ত পদ হতে বহিষ্কার করা হয়। পরে মাদ্রাসার পূর্বের ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়।
আলোচনা সভায় জমি দাতা সদস্যগনের মধ্যে অন্যতম সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা তমিজউদদীন গাজীকে সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব হলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
নতুন কমিটির আগামী মাসিক সভার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সদ্য ঘোষিত মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, দাতা সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সিদ্ধান্তমতে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসায় দান, যাকাত,ফিতরা, মান্নত, ইত্যাদি বিষয়ে যোগাযোগ করতে (অফিসিয়াল নং ০১৭৮০৩০৭৯৩০) এবং অদ্য দিন হতে মাওঃ সালিমউদ্দীন এর সাথে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার কোন সম্পর্ক নেই। তার সাথে আগামীতে মাদ্রাসার বিষয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অভিভাবক ও দাতাগনকে অনুরোধ জানান ম্যানেজিং কমিটি। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ও নতুন কমিটির সিদ্ধান্ত মতে মাওঃ মোঃ আমজাদ হোসেনকে নতুন মুহতামিম হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সবশেষে দোয়ানুষ্ঠানের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।


0 Comments