শফিক টুটুল প্রতিনিধি (নাজিরপুর) পিরোজপুরঃ
পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এম পি। শ.ম রেজাউল করিম একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদ। তিনি পিরোজপুর-১ আসন থেকে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ০৭ জানুয়ারি তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে যোগদান করে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন ক
রেন এবং মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মপদ্ধতির আমূল পরিবর্তন আনেন। পরবর্তীতে তিনি ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। শ.ম রেজাউল করিমের জন্ম পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউয়িনের তাঁরাবুনিয়া গ্রামে। তাঁর পিতা শেখ মোঃ আব্দুল খালেক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ। শ.ম রেজাউল করিম ১৯৭৭ সালে বরইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এস এস সি, ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি, ১৯৮৩ সালে এলএল.বি ডিগ্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শ.ম রেজাউল করিম সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছেন।
পিরোজপুর জেলার উত্তরে অবস্থিত নাজিরপুর উপজেলা পূর্বে নেছারাবাদ ও দক্ষিনে পিরোজপুর সদর উপজেলা এই ৩ উপজেলা নিয়ে পিরোজপুর ১-আসন। এ আসনে রয়েছে অসংখ্য নদী খাল ও বিলাঞ্চল, ভৌগলিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখানে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শত ছোট বড় নদী খাল রয়েছে। সেই বৃটিশ আমল থেকেই এই জনপদটি অবহেলিত, ছিলোনা ভালো কোনো যোগাযোগ ব্যাবস্থা। জন সাধারনের যাতায়েত ব্যবস্থা ছিল একমাত্র নৌকা, ক্রমাগত রাষ্ট্র পরিবর্তন হলেও নাজিরপুরের জনগোষ্ঠীর চাহিদা অনুয়ায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়নি। দেশ স্বাধীনের পরে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্ষাদ বার বার পরিবর্তন হয়েছে।কিন্তু অত্র এলাকার তেমন কোনও ভাল উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়নি বিগত দিনগুলোতে।
এ অবহেলিত মানুষের আশার প্রতিফলণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন মাননীয় মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রী জনাব শ ম রেজাউল করিম এমপি। শ.ম করিম মাত্র ২ বছর কয়েক মাস মন্ত্রী হয়ে দ্বায়ীত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন।ইতিমধ্যেই তিনি মেগা প্রকল্প হিসেবে পিরোজপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন করিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন হলে দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলে শিক্ষার্থীরা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হবেন। গোপালগঞ্জ থেকে বরিশাল বিভাগের সাথে যোগাযোগের উন্নতি ঘটাতে ফোর লেন মহা-সড়ক ও পিরোজপুরকে রেল লাইনের আওতাভূক্ত এবং মাঠ পর্যায়ের নকশার কাজ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
ইতোমধ্যে নাজিরপুরে প্রায় শতাধিক গার্ডার ব্রীজ নির্মান করেছেন তিনি। আরো ৫০টি গার্ডার ব্রীজের কাজ চলমান রয়েছে। নাজিরপুরে দৃশ্যমান বাজার গুলিতে ব্যপক উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন ভবন তৈরী করা, উপজেলায় পাঁচশত আসন বিশিষ্ট অডিটরিয়ম ভবনের কাজ চলমান, নাজিরপুরের কালিগঙ্গা নদীতে দ্বিতীয় ব্রীজ নির্মানের কাজ চলমান, কালিগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধকে দৃষ্টিনন্দন করে সড়ক নির্মানের কাজ চলছে। এছাড়া নাজিরপুর, নেছারাবাদ, পিরোজপুর উপজেলায় অসংখ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসার বহুতল ভবন এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায়, শোনা যাচ্ছে দ্রুততম সময়ের মধ্য নাজিরপুর পৌরসভায় রুপান্তিত হতে যাচ্ছে। নাজিরপুরে বহুতল মডেল মসজিদ নির্মানের কাজও চলমান রয়েছে। উপজেলার শ্রীরামকাঠী, কুমারখালী, বানিয়ারি, চাঁদকাঠী, পিরোজপুর থেকে মাটিভাংগা, নাজিরপুর থেকে বৈঠাকাটা, খেজুরতলা সড়কের কার্পেটিং কাজ সমাপ্ত হয়েছে। নাজিরপুর থেকে হুলারচর সড়কের আংশিক কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন হয়েছে বাকী কাজ অতিদ্রত সময় হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া নাজিরপুর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার জন্য গাড়ি, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সেবার জন্য এ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ ভ্যান বরাদ্দ করেছেন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের ধারণা ও সহায়তা করছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক নজরুল ইসলাম (বাবুল), উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এম খোকন কাজি, যুবলীগ সাধারন সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, প্রেসক্লাব সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান (তুহিন). বিশিষ্ট সমাজ সেবক এস.এম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহীন, ও উপজেলা এল.জি.ই.ডি-প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) মোঃ জাকির হোসেন ও স্থানীয় সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। সরকারের মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম এই মহামারী ও প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসের মধ্যেও স্থবির হওয়া দেশে গত দুই বছরে পিরোজপুর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলায় উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছ থেকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ পেয়েছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে পিরোজপুরের সাবেক কোনো মন্ত্রী বা এমপির আমলে এত বড় বরাদ্দ হয়নি বলে অভিমত ব্যক্ত করেন স্থানীয় সকল পেশার জনগণ। তাই অত্র এলাকার জনগণ অকপটে বলছে,উন্নয়নের সাফল্যের রূপকার শ.ম রেজাউল করিম।####


0 Comments