পাইকগাছা প্রতিনিধি : -  খুলনার পাইকগাছায় জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) হল রুমে পাইকগাছা সোনালী ব্যাংক শাখার আয়োজনে  ওয়ার্কশপটি হয়।


সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার দীপায়ন সরকারের সভাপতিত্বে ও দীপ্তি সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মনজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংকের এজিএম মোঃ ইসরাত হোসেন, ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার যুগ্ন পরিচালক মিজানুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ পার্থ প্রতিম রায়, কৃষি কর্মকর্তা একরামুল হক। কৃষি ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ হাদীউজ্জামান, ষোলআনা সমবায় সমিতির সভাপতি জি এম শুকুরুজ্জামান। রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জি এম মিজানুর রহমান সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম,  প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধানসহ বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। 

এ সময় বক্তব্যরা বলে, জালনোটের প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। অসাধু চক্র বিভিন্ন সময়ে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। বিশেষ করে ঈদে বড় কেনাকাটার মৌসুমে জালনোটের ব্যবহার বেড়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিক্রেতা, দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা।

প্রধান অতিথী আরো বলেন, আইনশৃংলা বাহিনী জালনোট চক্র দমনে অভিযান অব্যাহত থাকলেও জনগণের সচেতনতা ছাড়া এ অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তাই টাকা লেনদেনের সময় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আসল নোট শনাক্ত করতে নোটের নিরাপত্তা সুতা, জলছাপ, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও উঁচু ছাপ ভালোভাবে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ব্যাংক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, বড় অঙ্কের টাকা গ্রহণের সময় নোট যাচাই মেশিন ব্যবহার করা উচিত। প্রতিটি গরু হাটি জাল সনাক্তকরণ ম্যশিন থাকবে। পাশাপাশি সন্দেহজনক নোট পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

স্কুল-কলেজ, বাজার ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।